News Section:

ছয় কারণে পিএসসি পরীক্ষায় বানিয়াচঙ্গ শীর্ষস্থান অর্জন করেছে



প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে জেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করছে বানিয়াচঙ্গ উপজেলা। গত বছর সারা দেশের মধ্যে খারাপ অবস্থানে ছিল এ উপজেলার ফলাফল। এবারের এই অভাবনীয় সাফল্যে সেই বদনাম ঘুচেছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মহাখুশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার ১৮৯টি স্কুলের ৪ হাজার ৩০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পাশ করেছে ৪ হাজার ২৭০ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ২৮ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪৩ জন। শতভাগ পাশ করেছে ১৬৭টি স্কুল।
এ সাফল্যের পেছনে ছয়টি কারণ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কারণগুলো হচ্ছে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য এমপি আব্দুল মজিদ খান, উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খানের সমন্বয়ে স্থানীয় শিক্ষা বিভাগের গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষা বিষয়ক সমাবেশ, প্রাক্তন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসানের উদ্যোগে উপজেলার সব স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ গাইবান্ধার শিবরামপুরের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলমের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিষয়ক সেমিনার, অনেক স্কুলে নৈশকালীন ক্লাস চালু করা, ছুটির দিন শনিবারসহ জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ঘন ঘন স্কুল পরিদর্শন, ভাল ফলাফল অর্জনের জন্য শিক্ষকদের তৎপরতা। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমও ফলাফলে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান বলেন, এ সাফল্যের জন্য আমি উচ্ছ্বসিত। এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শামছুল আলম বলেন, এ সাফল্য ধরে রাখতে আমাদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সেই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে যাবো।